Friday, March 16, 2018

ক্যারিয়ার গড়ুন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে (পর্ব: ২) iT blogs



প্রচলিত কিছু ভুল ধারণাগুলো নিয়ে আজকের পর্বটি  ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে সাজিয়েছি। এ ভুল ধারণাগুলোর বিষয়ে সবার ধারণা পরিস্কার করলে আরো অনেক ফ্রিল্যান্সার তৈরি হবে আমাদের দেশে।

কয়েকটি প্রচলিত  ভুল ধারণা: ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে

blogging it blogs
–       সবজায়গাতে ব্যর্থ, শেষ গন্তব্য ফ্রিল্যান্সিং।

–       ফ্রিল্যান্সিং মানেই আপওয়ার্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি জায়গাতে কাজ করা।

–       ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য খুব বেশি যোগ্যতার দরকার নাই।

–       ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য অসাধারণ গুণের অধিকারী হতে হয়।

–       ফ্রিল্যান্সিং চাকুরি কিংবা পড়ালেখার পাশাপাশি পার্টটাইম চাকুরি হতে পারে, ফুলটাইম না।

–       চাকুরিতে সবসময় টাকা আসার নিশ্চয়তা থাকলেও ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে বিষয়টা অনিশ্চিত।

–       বিদেশীদের মত ইংরেজি না জানলে ফ্রিল্যান্সার হওয়া যাবেনা।

–       পড়ালেখা না জেনেও ফ্রিল্যান্সিং করা যাবে।

–       ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য ৭দিন কিংবা ১মাসের প্রস্তুতি যথেষ্ট।

–       ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য নিজের নামে পেপাল অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে।

–       ফ্রিল্যান্সিং শিখতে হলে ট্রেনিং সেন্টারে যেতে হবে।

–       সায়েন্সের স্টুডেন্ট না হলে ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয় করা যায়না।



১) সব জায়গাতে ব্যর্থ, শেষ গন্তব্য ফ্রিল্যান্সিং:
এ ধারণাটি সমাজে অনেক বেশি প্রচলিত। পড়ালেখা কিংবা কোন কিছুতেই কিছু করতে ব্যর্থ হচ্ছেন। কোন কিছু করার ব্যাপারে খুবই অলস, এ অলসতার কারনেই নিজের ক্যারিয়ার সাজাতে পারছেননা। এরকম মানুষজনের ভাবনাতেও থাকে ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হওয়ার চিন্তা। অনেক সময় এ চিন্তাটা আরো ভয়াবহ হয়। তারা ভেবে থাকে, কোন কিছুই আমাকে দিয়ে হবেনা। ফ্রিল্যান্সিংটাতো আছেই, সেটা দিয়েই অনেক অনেক টাকা আয় করব।

আসল সত্য: ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষেত্রে অযোগ্যদের জায়গা নাই। যতবেশি যোগ্যতা অর্জন করবেন, অনলাইনে আপনার আয় তত বৃদ্ধি পাবে। যোগ্যতা ছাড়া হয়ত পাঁচ-দশ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন। কিন্তু সেটি অবশ্যই সাময়িক আয়। ফ্রিল্যান্সিং যখন করবেন, স্বপ্নটা পাঁচ-দশ হাজার টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখাটা বোকামী।
blogging it blogs

২) ফ্রিল্যান্সিং মানেই আপওয়ার্কে (পুরাতন নাম: ওডেস্ক) কাজ করা:

আমাদের দেশের একটা ধারণা প্রতিষ্ঠা পেয়ে গেছে, অনলাইনে আয় করতে হলে আপওয়ার্কেই বিড করে কাজ যোগাড় করতে হবে। আর যখন কাজ না পায়, তখন হতাশ হয়ে কাজ ছেড়ে দেয়। অনেকক্ষেত্রে আপওয়ার্কে কাজ পেতে ব্যর্থ হয়ে কাজ পাওয়ার জন্য স্পামিং করছে, কাজের রেট কমিয়ে বিড করছে। যার কারনে আমাদের দেশের ব্যাপারে বিদেশী ক্রেতাদের কাছে একটা বাজে অবস্থান তৈরি হচ্ছে।
আসল সত্য: পৃথিবীতে যত কাজ আউটসোর্স হচ্ছে, তার মধ্যে মাত্র ৭% কাজ মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যায়। মার্কেটপ্লেস ছাড়াও আর কিভাবে কাজ পাওয়া যায়, সেটি জানার জন্য সকল পর্বে চোখ রাখুন। সে বিষয়ে এ ধারাবাহিকের কোন একটা পর্বে আলোচনা করা হবে।  বাকি অংশ দেখুন 

No comments:

Post a Comment